আমলে নাজাত (অল্প আমলে বেশি নেকী)
ক্রম আরবী দু'আ উচ্চারণ বাংলা অর্থ রেওয়াত (বর্ণনা)
►০১ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ
(এ বাক্যটি তিন বার পাঠ করতে হয়। -সহীহ মুসলিম: ১৩৬২) অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
https://youtu.be/BdAFJk04xxo সাওবান রাদ্বয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনামতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত শেষে ৩(তিন) বার ইস্তিগফার করতেন। (সহীহ মাসনূন ওযিফা, পৃষ্ঠাঃ ৪১)
►০২ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতাস সালা-ম, ওয়া মিনকাস সালা-ম, তাবা-রকতা ইয়া-জাল জালা-লি ওয়াল ইকরাম।
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনিই সালাম (শান্তি), আপনার থেকেই শান্তি, হে মহাসন্মানের অধিকারী ও মর্যাদা প্রদানের অধিকারী, আপনি বরকতময়।
সাওবান রাদ্বয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত শেষে ৩(তিন) বার ইস্তিগফার বলে এরপর আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম....বলতেন (সহীহ মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯১)।
বিষয়ে আয়েশা (রাঃ) ও অন্যান্য সাহাবী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে হাদীস বর্ণিত হয়েছে (সহীহ মাসনূন ওযিফা, পৃষ্ঠাঃ ৪১)
►০৩ ﺃﻟﻠﻬﻢ ﺃﺟﺮﻧﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান্ না-র।
অর্থঃ হে আল্লাহ আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন। হারিস ইবনু মুসলিম (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেছেন, তুমি ফজরের সালাতের পরেই (দুনিয়াবী) কথা বলার আগেই এই দুআ ৭বার বলবে। যদি তুমি ঐ দিনে মৃত্যুবরণ কর তাহলে আল্লাহ তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। অনুরূপভাবে মাগরিবের সালাতের পরে কথা বলার আগেই এই দুআ ৭বার বলবে। যদি তুমি রাত্রে মৃত্যু বরণ কর তাহলে আল্লাহ তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। অধিকাংশ মুহাদ্দিস হাদীসটিকে গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করেছেন।
(নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ৬/৩৩, সুনানু আবু দাউদ ৪/৩২০, নং ৫০৭৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৬৭, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/৩৬১-৩৬৫, নাবাবী, আযকার, পৃঃ ১১৫, যাকারিয়্যা, আল ইখবার, পৃঃ ৬৫, সহীহ মাসনূন ওযিফা, পৃঃ ৪১)।
►০৪ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ اَللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
উচ্চারণ: লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা- শারিকা লাহু। লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল্ হামদু। ওয়া হুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর। আল্লাহুম্মা লা-মানি'য়া লিমা- আ'ত্বইতা। ওয়া-লা মু'তিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা- ইয়ানফা'উ জাল্ জাদ্দি মিনকাতাল্ জাদ্দু।
(এ দোয়াটি একবার পাঠ করতে হয়। -সহীহ বোখারি ও মুসলিম) অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো মা'বুদ নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না।
মুগীরা ইবনু শু'বা (রা) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রত্যেক সালাতের সালামের পরেই এই যিকরটি বলতেন।
সহীহ বুখারী:১/২৮৯, নং ৮০৮, ৫/২৩৩২ল নং ৫৯৭১, সহীহ মুসলিম, ১/৪১৪-৪১৫, নং ৫৯৩, সহীহ ইবনু হিব্বান, ৫/৩৪৫-৩৪৮, ৫/৩৪৯ (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪২)
►০৫ اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الۡحَ
الۡقَيُّوۡمُ ۚلَا تَاۡخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوۡمٌؕ لَّهٗ مَا فِىۡ السَّمٰوٰتِ وَمَا فِىۡ الۡاَرۡضِؕ مَنۡ ذَا الَّذِىۡ يَشۡفَعُ عِنۡدَهٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِهٖؕ يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ اَيۡدِيۡهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡۚ وَلَا يُحِيۡطُوۡنَ بِشَىۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَۚ وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَۚ وَلَا يَـُٔوۡدُهٗ حِفۡظُهُمَاۚ وَهُوَ الۡعَلِىُّ الۡعَظِيۡمُ
উচ্চারণঃ আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্বিয়্যুম লা- তা’খুজুহু সিনাতু ওয়ালা-নাউম। লাহু মা –ফিছছামা-ওয়াতি ওয়ামা- ফিল আরদ্। মান যাল্লাযী ইয়াশ ফা'উ ইন দাহু ইল্লা-বি ইজনিহ্ । ই'য়ালামু মা-বাইনা আইদিহিম ওয়ামা-খ্বলফাহুম। ওয়ালা-ইউহিতু-না বিশাই ইম্ মিন 'ইলমিহী ইল্লা-বিমা শাআ -ওয়াসি'য়া কুরসিইউ হুস্ ছামা -ওয়াতি ওয়াল আরদ্, ওয়ালা -ইয়া উদুহু- হিফজুিহহুমা- ওয়াহুয়াল 'আলিয়্যুল 'আজী-ম (আয়াতুল কুরসি: সূরা বাকারা :২৫৫ নং আয়াত]
অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি শাশ্বত চিরঞ্জীব। বিশ্বপ্রকৃতির সর্বসত্তার ধারক। তিনি তন্দ্রা-নিদ্রাহীন সদাসজাগ। মহাকাশ ও পৃথিবীর সবকিছুর মালিক। তাঁর সদয় অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করার সাধ্য কারো নেই। দৃশ্যমান বা অদৃশ্য, অতীত বা ভবিষ্যৎ—সৃষ্টির সবকিছুই তিনি জানেন। তিনি যতটুকু জানাবেন, এর বাইরে তাঁর জ্ঞানের সীমানা সম্পর্কে ধারণা করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। তাঁর আসন, তাঁর কর্তৃত্ব পৃথিবী ও নভোমণ্ডলের সর্বত্র বিস্তৃত। আর তা সংরক্ষণে তিনি অক্লান্ত। তিনি সর্বোচ্চ সুমহান।’ আবু উমামাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক সালাতের পর আয়াতুল কুরসী (সূরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াত) পাঠ করবে তাঁর জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।
হাদীসটি হাসান। নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ৬/৩০,হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইড ২/১৪৮ল ১০/১০২, মুনাযিরী আত্ তারগীব ২/৪৪৮। অন্য হাদীসে হাসান (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফরয সালাতের শেষে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে সে পরবর্তী সালাত পর্যন্ত আল্লাহর জিম্মায় থাকবে (সূত্রঃ হাদীসটি হাসান। তাবারানী, কাবীর ৩/৮৩। হাইসামীল মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১৭, সহীহুত তারগীব ১/৩৪৫ (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪২)
উবাই ইবনু কা'ব (রা) বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে, যে ব্যক্তি সকালে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত জ্বিন থেকে হেফাযতে থাকবে এবং যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় পাঠ করবে সে সকাল পর্যন্ত জ্বিন থেকে হেফাযতে থাকবে। হাদীসটি সহীহ (সূত্রঃ তাবারানী, আল মু'জামুল, কাবীর ১/২০১, মুসতাদরাক হাকীম ১/৭৪৯ল মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১৭, সহীহুত তারগীব ১/৩৪৫ (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪২)
►০৬ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
اللَّهُ الصَّمَد
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
কুলহু ওয়াল্লাহু আহাদ
আল্লাহুস স্বমাদ
লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ
ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ।
অর্থঃ ১) বলুন, তিনি আল্লাহ এক ৷
২) আল্লাহ কারোর ওপর নির্ভরশীল নন এবং সবাই তাঁর ওপর নির্ভরশীল ৷
৩) তাঁর কোন সন্তান নেই এবং তিনি কারোর সন্তান নন৷
৪) এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই৷
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
قُلۡ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلۡفَلَقِ
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّـٰثَـٰتِ فِى ٱلۡعُقَدِ
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
কুল আ'উযু বিরাব্বিল ফালাক্ব।
ওয়ামিন শাররি মা-খলাক্ব।
মিন শাররি গ-সিক্বিন ইযা- ওয়াক্বাব।
ওয়া মিন শাররিন নাফ্ফাসাতি ফিল্ উকাদ।
ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা-হাসাদ।
পরম দাতা দয়ালু আল্লাহর নামে (আরম্ভ) করছি।
(হে নবী! তুমি) বলো, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের স্রষ্টার। আশ্রয় গ্রহণ করছি তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে, রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে, গ্রন্থিতে ফুৎকারদানকারী ডাইনিদের অনিষ্ট থেকে, হিংসুকের হিংসার অনিষ্ট থেকে।’
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
قُلۡ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ
مَلِكِ ٱلنَّاسِ
إِلَـٰهِ ٱلنَّاسِ
مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ
الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
কুল আ'উযু বিরাব্বিন না-স।
মালিকিন্না-স। ইলাহিন্না-স। মিন শাররীল ওয়াস ওয়া-সিল খন্না-স।
আল্লাযি ইউওয়স উইসু ফী- সুদু-রিন্না-স। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান না-স।
পরম দাতা দয়ালু অআল্লাহর নামে (আরম্ভ) করছি।
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি মানুষের পালনকর্তার।
মানুষের অধিপতির,
মানুষের মা' বুদের, তার অনিষ্ট থেকে- যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্মগোপন করে,
যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে,
জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদ্ধতিতে লোকদের বলেছেন , সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান — এ মর্মে হাদীসের কিতাবগুলোতে অসংখ্য হাদীস বর্ণিত হয়েছে। বুখারী , তিরমিযী , মুসলিম , আবু দাউদ , নাসাঈ , ইবনে মাজাহ , মুসনাদে আহামাদ , তাবারানী ইত্যাদি কিতাবগুলোতে বহু হাদীস আবু সাঈদ , খুদরী , আবু হুরাইরা , আবু আইয়ুব আনসারী , কুলসুম বিনতে উকবাহ ইবনে আবী মু’আইত , ইবনে উমর , ইবনে মাস্থউদ , কাতাদাহ ইবনুন নূ’মান , আনাস ইবনে মালেক ও আবু মাস’উদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণিত হয়েছে। মুফাসসিরগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর এ উক্তির বহু ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করেছেন।
উকবা ইবনু আমির (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রত্যেক সালাতের পরে সূরা ফালাক ও সূরা নাস) পাঠ করতে । দ্বিতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে প্রত্যেক সালাতের পরে মু'আওয়িযাত, (সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস) পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। হাদীসটি হাসান(সূত্রঃ সুনানু আবী দাউদ ২/৮৬, নং ১৫২৩। সুনানুত তিরমিযী ৫/১৭১, নং ২৯০৩, সহীহুত তিরমিযী ২/৮, ফাতহুল বারী ৯/৬২। সুনানুন নাসাঈ ৩/৬৮ল সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৪৪, নং ২০০৪ (প্রাগুক্তঃ ৪২)। অন্য হাদীসে এই তিনটি সূরা তিন বার করে সকালে ও সন্ধ্যায় পাঠের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪২)।
►০৭ سُبْحَانَ اللّهِ وَ بِحَمْدِهِ
সুবহা-নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা (বা প্রশংসাময় পবিত্রতা) ঘোষণা করছি। আবু তালহা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যদি কেউ ১০০ বার সুবহা-নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী বলে, তাহলে আল্লাহ তাঁর জন্য ১,২৪,০০০ (এক লক্ষ চব্বিশ হাজার) সাওয়াব লিখবেন। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, তাহলে তো আমাদের কেউই বিপদে পড়বে না (জাহান্নামে কাউকেই যেতে হবে না)। তিনি বলেন: হাঁ। তোমাদের অনেকেই এত বেশি সাওয়াব নিয়ে কিয়ামতের দিন হাজির হবে যে, পাহাড়ের উপরে দিলেও পাহাড় ভেঙ্গে যাবে, কিন্তু এরপর আল্লাহ তাঁকে যে নিয়ামত দিয়েছিলেন তা এসে সব নিয়ামত নিয়ে চলে যাবে। এরপর মহাপ্রভূ রহমত নিয়ে এগিয়ে আসবেন। হাদীসটি সহীহ। (মুসতাদরাক হাকীম ৪/২৭৯) (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪৫)।
►০৮ سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
উচ্চারণ: সুবহা-নাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহী, আদাদা খালক্বিহী, ওয়া-রিদ্বা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা 'আরশিহী ওয়া মিদা-দা- কালিমা-তিহী। -সহিহ মুসলিম শরিফ : ৭০৮৮
অর্থ: আমি আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা ঘোষণা করছি, তাঁর সৃষ্টির সম সংখ্যক, তাঁর নিজের সন্তুষ্টি পরিমাণে,তাঁর আরশের ওজন পরিমাণে এবং তাঁর বাক্যের কালির সমপরিমাণ।
উম্মুল মুমিনীন জুআইরিয়্যা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের সালাতের পরে তাঁকে তাঁর সালাতের স্থানে যিকর রত অবস্থায় দেখে বেরিয়ে যান। এরপর তিনি অনেক বেলা হলে দুপুরের আগে ফিরে এসে দেখেন তিনি (উম্মুল মুমিনীন) তখনও ঐ অবস্থায় তাসবিহ তাহলিলে রত রয়েছেন। তিনি বলেন: তুমি কি আমার যাওয়ার সময় থেকে এই পর্যন্ত এভাবেই যিকরে রত রয়েছ? তিনি বললেন: হাঁ। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: অআমি তোমার কাছ থেকে বেরিয়ে চারটি বাক্য তিনবার করে বলেছি (উপরের বাক্যগুলি)। তুমি সকাল থেকে এই পর্যন্ত যত কিছু বলেছ সবকিছু একত্রে যে সাওয়াব হবে, এই বাক্যগুলির সাওয়াব সেই একই পরিমাণ হবে।
(সহীহ মুসলিম ৪/২০৯০-২০৯১, নং ২৭২৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১১০, নাসাঈ, অআস-সুনানুল কুবরা ১/৪০২, ৬/৪৮, ৪৯) (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪৬)
ইমাম তিরমিযী অনুরূপ ঘটনা উম্মুল মুমিনীন সাফিয়্যাহ (রা) থেকেও বর্ণনা করেছেন। সাফিয়্যাহ (রা) বললেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার কাছে এসে দেখেন আমার সামনে চার হাজার বিচি রয়েছে যা দিয়ে আমি তাসবীহ বা সুবহানাল্লাহর যিকর করছি। তিনি বললেন: তুমি কি এতগুলির সব তাসবীহ পাঠ করেছ? আমি বললাম: হাঁ। তখন তিনি (নবীজী সাঃ) তাঁকে উপরের যিকরের অনুরূপ বাক্য শিখিয়ে দেন। (সুনানুত তিরমিযী ৫/৫৫৫, নং ৩৫৫৪। মুসতাদরাক হাকিম ১/৭৩২, প্রাগুক্ত পৃঃ ৪৬)।
(একেই বলে:অল্প আমলে বেশী নেকী!)
• وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّـهِ ۚ
• ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহঃ অর্থ: আমি তাঁর উপরই নির্ভর করি এবং তাঁরই প্রতি ফিরে যাই (সূরাহ হুদ, আয়াতঃ ৮৮, [তাফসীরে মাআ’রেফুল কোরআন, প্রথম খন্ড, চতুর্দশ সংস্করণ-২০১১, মূল: মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.), অনুবাদ: মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রহ.), ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ,
• www.almodina.com
• And my success (in my task) Can only come from Allah.
• THE HOLY QUR’AN Sūra 11: Hūd (The Prophet Hūd), Ayat No. 88, Makki; Revealed at Makka — Sections 10, Translation by Abdullah Yusuf Ali About QuranYusufAli.com
• Online rendition of the World’s most popular Abdullah Yusuf Ali Quran Translation in English published alongside the original Arabic text, completed in Lahore on the fourth of April 1937. Famously promoted by Sheikh Ahmed Deedat in the 80s and 90s.
• Copyrighted 1946 by Khalil Al-Rawaf. Published by Islamic Propagation Centre International, Durban, South Africa.
• "It is the duty of every Muslim, man, woman, or child, to read the Quran and understand it according to his own capacity. If any one of us attains to some knowledge or understanding of it by study, contemplation, and the test of life, both outward and inward, it is his duty, according to his capacity, to instruct others, and share with them the joy and peace which result from contact with the spiritual world."(A. Yūsuf ‘Alī).
Comments
Post a Comment