Posts

Showing posts from June, 2021

জামাতে যোহর এবং আসর নামাযের সূরাহ-ক্বিরাত আস্তে তেলাওয়াতের রহস্য

  জামাতে যোহর -আসর নামাযের সূরাহ-ক্বিরাত আস্তে তেলাওয়াতের রহস্য " ক্বেরাত আস্তে পড়া এ জন্য যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে কাফিরদের আধিক্য ছিল। এরা কোরআন তেলাওয়াত শুনে আল্লাহ তা ' য়াল, জিবরাঈল ' আলাইহিস সালাম এবং হুজুর সাল্লাল্লাহু ' আলাইহি ওয়াসাল্লামের শানে বিদ্রুপ করত। যোহর এবং আসরের সময় এরা ঘুরাফেরা করে থাকে। মাগরিবের সময় খাওয়া-দাওয়ায় লিপ্ত থাকে। এশার সময় শুয়ে পড়ে এবং ফজরের সময় নিদ্রাবিভূত থাকে। এ কারণে যোহর এবং আসরের নামাযে আস্তে আস্তে কুরআন পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে " (সূত্রঃ সংক্ষিপ্ত নামায শিক্ষা দীনিয়াত, পৃষ্ঠাঃ ৩৩, বায়তুশ শরফ, চট্টগ্রাম)। ব্যাখ্যাঃ  ইসলামের প্রাথমিক যুগের দুষ্ট প্রকৃতির কাফিররা  যোহর এবং আসরের সময়  ঘুরাফেরা করে তারা খুঁজে বেড়াতো কোথায় মুসলমানদের সালাত বা নামায আদায় হচ্ছে। প্রাথমিক সময়ে প্রচলিত সশব্দে সূরাহ ক্বিরাত তেলাওয়াতের আওয়াজ শুনে তারা সেখানে পৌঁছে শোরগোল করে নামাযে বিঘ্ন ঘটাতো। কাফির মুশরিকদের শোরগোল বন্ধ করার জন্য যোহর এবং আসরের সালাতের জামাতে আস্তে সূরাহ ক্বিরাত তেলাওয়াতের বিধান জারী হয়েছিল যা এখনও স্থায়ীভাবে বলবৎ রয়েছে। ...

ইব্রাহিম (আঃ) কর্তৃক কাবা পুনঃ নির্মান সম্পর্কিত কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা।

Image

নবি মুসা ও খিজির (আ) এর গল্প! (আবু ত্ব হা মুহাম্মাদ আদনান)

Image

‘আউয়াবিন’:যে নামাযে সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ গোনাহ মাফ হয়/ইশরাকঃ যে নামাযে একটি হজ এবং একটি ওমরাহর সাওয়াব

  প্রশ্ন :   আওয়াবিন নামাজের সময় মাগরিবের সুন্নতের পর নাকি মাগরিবের দুই রাকাত নফল নামাজের পর ? এতে কি কোনো বিশেষ সূরাহ আছে ? রোজা ভুঁইয়া , জার্মানি উত্তর :   কিছু ওলামায়ে কেরামের মতে ফরজের পরই আওয়াবিনের সময় শুরু হয়। অতএব ,  দুই রাকাত সুন্নতসহ সর্বমোট ছয় রাকাত পড়ার দ্বারা আওয়াবিন পড়ার সওয়াব অবশ্যই পেয়ে যাবে। তবে দুই রাকাত সুন্নত পড়ার পর ছয় রাকাত আওয়াবিন পড়াই শ্রেয়। আওয়াবিন নামাজে পড়ার বিশেষ কোনো সুরা নেই। (মাজমাউল আনহুর : ১/১৯৫ , তিরমিজি , হাদিস : ৪৩৫ , ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ৩/১৫৫) সমাধান:   ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ , বসুন্ধরা , ঢাকা https://www.kalerkantho.com/print-edition/islamic-life/ 2020/09/16/955777 আউয়াবিন নামাযের ওয়াক্ত আউয়াবিন নামাযের ওয়াক্ত সম্পর্কে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন , যখন নামাজি মাগরিবের নামাজ পড়ে শেষ করে এবং এর ওয়াক্ত ইশার ওয়াক্ত হওয়া পর্যন্ত থাকে। ’ ( মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা) আউয়াবিন নামাজের ফজিলত হাদিসে কুদসিতে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন :   ‘ আমার বান্দা নফলের মাধ্যম...

নামাজ সম্পর্কে শ্রেষ্ঠ আলোচনা || শায়খ ডঃ খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ...

Image

আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা প্রিয় আমল সালাত বা নামায: কি এবং কেন?

Image
  সালাত বা নামায কি এবং কেন?    الصلوة ‎‎ (সালাত)   আরবি শব্দ। বহুবচনে   ٱلصَّلَوَات ‎‎   ( সালাও য়া ত )   । " সালাত" -এর আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ   দোয়া , রহমত , ক্ষমা প্রার্থনা করা ইত্যাদি। ধাতুগত অর্থে যেমন : সরল, কোমল, নমিত হওয়া, অনুসরণ করা ইত্যাদি বুঝায়। আর বুৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছেঃ উপাসনা, আরাধনা, অনুগ্রহ ও ক্ষমা প্রার্থনা ইত্যাদি। আজানের ভাষ্য অনুসারে সালাতের অপর নাম ১. الفلاح (ফালাহ) অর্থাৎ সাফল্য। ( حي على الفلاح হাই আলাল ফালাহ : সাফল্যের জন্য এসো ) এবং ২. خير (খয়র) অর্থাৎ উত্তম। ( الصلاة خير من النوم )(ঘুম থেকে নামাজ উত্তম)। নামায (নামাজ): সালাতের আঞ্চলিক নাম   নামায   শব্দটি   ফার্সি :  نماز শব্দ   থেকে উদ্ভূত । نماز (নামায/নামাজ) শব্দটি   একাধারে ভারত-ইরানে হিন্দি-ফার্সি (উভয় ভাষা অ্যারিয়ানভূক্ত বিধায় হিন্দি-ফার্সি মূলত: একই ভাষা পরিবারের সদস্য), পক্ষান্তরে বিদেশী ভাষার আত্মীকরণের বৈয়াকরণিক রীতি অনুসারে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে যথাক্রমে   উর্দু -বাংলায় এবং ইউরো-এশীয় দেশ তুরস্কে ...